দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারে তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
ওই পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ এক সংবাদ সম্মেলনে আখতারুল ইসলাম আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতি সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা জানান। তার এই বক্তব্যের পর বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়। কোনো ধরনের তদন্ত বা সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার উক্ত বক্তব্যের কারণে তাকে ঘিরে ব্যাপক মিডিয়া ট্রায়াল শুরু হয়। ফলে অভিযোগগুলো যেন ইতোমধ্যেই প্রমাণিত; জনমনে এমন একটি ধারণা তৈরি হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়, যা তাঁর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনামকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
‘পরবর্তীতে সাংবাদিকদের দুদক বিটের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আখতারুল ইসলাম তার ওই বক্তব্যকে ভুলবশত দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে একটি বার্তা দেন। একই সঙ্গে সংবাদ প্রচারের ক্ষেত্রে ‘প্রাথমিক সত্যতা’র বিষয়টি বাদ দিতে সাংবাদিকদের অনুরোধ করেন। তবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার বা সংশোধন করা হয়নি। ফলে বক্তব্যটির ভিত্তিতে সৃষ্ট মিডিয়া ট্রায়াল ও জনমনে তৈরি নেতিবাচক ধারণা অব্যাহত থাকে।’
এই অবস্থায়, আইনি নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তাকে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তাঁর বক্তব্য ১৫ দিনের মধ্যে একইভাবে নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার এবং ভবিষ্যতে যাচাই করা ও প্রমাণসমর্থিত তথ্য ছাড়া বক্তব্য প্রদান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি উক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান এনসিপির এই মুখপাত্র।
কেএম